কাঁথিতে নির্বাচনী প্রচারে সরব নরেন্দ্র মোদি
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: “আসল পরিবর্তন আসছে”,কাঁথিতে নরেন্দ্র মোদি। উল্লেখ করা যায়,তিন দশক পরে কাঁথিতে পা পড়ল কোনও প্রধানমন্ত্রীর। শুভেন্দু – শিশির অধিকারীর গড়ে নরেন্দ্র মোদি এলেন বিজেপির প্রচারে। সভায় শুভেন্দু, শিশির অধিকারী ছাড়াও সৌম্যেন্দু অধিকারীও। দেখা গেল না দিব্যেন্দু অধিকারীকে । নরেন্দ্র মোদি সভায় জানিয়েছেন,গোটা দেশ স্বাধীনতা আন্দোলনের ৭৫ বছর পালন করছে। এই স্বাধীনতার লড়াইয়ে পশ্চিমবঙ্গের অবদান অনেক বড়। আজ ২৫ বছর বয়সি যে যুবক, অথবা যে যুবক প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন, তার জন্যেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ২৫ বছরে তাকে নতুন সমাজ গড়তে হবে। সে জন্যই আসল পরিবর্তন দরকার। বাংলার ঘরে ঘরে এখন একটাই আওয়াজ, ২ মে দিদি যাচ্ছে।
ওই সভায় তাঁর আরও মন্তব্য,”আজকাল বারংবার দিদি আসছেন মেদিনীপুরে। কিন্তু সেই পরিবারগুলিকে দিদি জবাব দিতে পারেননি যাদের আমফান নিঃস্ব করেছে, তারপর নিঃস্ব করেছে তৃণমূলের লোক। দরকারে দিদিকে পাওয়া যায় না। ভোটের সময় বলা হয় দুয়ারে দুয়ারে সরকার। এটাই ওঁর খেলা। পশ্চিম বঙ্গের মানুষ এই খেলা ধরে ফেলেছে। এই কারণেই ২ মে পশ্চিমবঙ্গ দুয়ার দেখাবে। লোকেরা আপনাকে দরজা দেখাবে। তৃণমূলের পাপের ঘড়া ভরে গিয়েছে”। টিএমসির খেলা শেষ হবে, বিকাশ আরম্ভ হবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন,বাংলার বিকাশের জন্য আমরা জান দেব। বাংলা চায় শিক্ষা, শিল্প ও কর্মসংস্থান। বাংলা চায় কৃষক সম্মান। বাংলা চায় বিজেপি সরকার। স্ক্যামকে স্কিমেপরিণত করবে বিজেপি। মানুষের কথা শুনে, অসুবিধে বুঝে, ভবিষ্যতকে সুন্দর করতে সংকল্পপত্র তৈরি করেছে বাংলার বিজেপি নেতারা। হলদিয়াকে তছনছ করেছে তৃণমূলের সিন্ডিকেট,এমনও অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী। এক্ষেত্রে তিনি জানিয়েছেন,কমিশন কালচার থেকে বের করতে হবে হলদিয়াকে। আমরা চাইছি নতুন অর্থব্যবস্থা,যেখানে প্রতিটি মৎস্যজীবী ভালো থাকবে। আমরা হলদিয়া পোর্ট বিকাশে বড় যোজনা শুরু করেছি। ডবল ইঞ্জিন সরকার এলে মেদিনীপুরের প্রতিটি পরিবারের লাভ।
খবরটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

